“শহর ও শহরতলীর বিতরণ লাইন/সাবস্টেশন ভূগর্ভস্থ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে” - বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

“শহর ও শহরতলীর বিতরণ লাইন/সাবস্টেশন ভূগর্ভস্থ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে” - বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা-২৫.০৭.২০১৭

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, শহর ও শহরতলীর বিতরণ লাইন/ সাবস্টেশন ভূগর্ভস্থ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আগামী ১৫ বৎসর গ্রীডের জন্য কী পরিমান জমি প্রয়োজন হবে তা এখনই নির্ধারণ করে অধিগ্রহণ করার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। জমি অধিগ্রহণ বা ক্রয় প্রক্রিয়া দ্রুততর করা প্রয়োজন।

প্রতিমন্ত্রী, আজ জেলা প্রশাসক সম্মেলনের প্রথম দিবসের দ্বিতীয় কার্য অধিবেশনে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, জনগণকে গ্যাসের বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এলপিজি ও লাইনের প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল্য প্রায় সমান। এলপিজি‘র মূল্য আরো কমবে। প্রাকৃতিক গ্যাস প্রতি ঘনমিটার ৯ টাকা ৫৬ পয়সা উৎপাদন করতে খরচ হলেও সরকার গড়ে বিক্রয় করে ৬ টাকা ২২ পয়সায়। এতে প্রতিদিন লস হয় ৯ কোটি ২২ লক্ষ টাকা। তাছাড়া দেশের ২৪ লক্ষ গ্রাহক প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার  করলেও অন্যান্য নাগরিকরা বিকল্প জ্বালানিই ব্যবহার করে। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী এ সময় আরো বলেন, বিদ্যুৎ জনিত দূর্ঘটনা সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে জেলা প্রশাসকরা কর্যকরি অবদান রাখতে পারে।  
বিশেষ অতিথির বক্তৃতার প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৈফিক-ই এলাহী বীর বিক্রম  জেলা প্রশাসকদের মেধা, প্রজ্ঞা ও আগ্রহের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, চাহিদা অনুসারে গ্যাস দেয়া আপাতত সম্ভব হচ্ছে না। জনগণদের ধর্য্য ধরার অনুরোধ করে বলেন, এলএনজি আসলেই এ অবস্থার উন্নতি হবে।

এ সময় অন্যান্যের মাঝে বিদ্যুৎ সচিব ড. আহমদ কায়কাউস এবং জ্বালানি ও খনজি সম্পদ বিভাগের সচিব নাজিমউদ্দিন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।